গত রাতের কথা,
অন্ধকারের আলোতে বন্ধুর চোখে দেখা,
আলতো হিম প্রভাতে সূর্য চুম্বনে লেখা,
ছোট্ট এ পদ্য, অল্প একটু কথা,
তবু কয়েক পঙক্তি, অনেকটা ভনিতা করেই লেখা।
অন্ধকারের আলোতে বন্ধুর চোখে দেখা,
আলতো হিম প্রভাতে সূর্য চুম্বনে লেখা,
ছোট্ট এ পদ্য, অল্প একটু কথা,
তবু কয়েক পঙক্তি, অনেকটা ভনিতা করেই লেখা।
অপূর্ব সৌন্দর্যের মায়াময় রজনী,
বিধাতার বিস্ময়াবৃত ধূপ শীতল ধরণীর
মায়াকান্নার মাঝে,
এক টুকরো গগনে গনগনে চাঁদ
আকাশের মাঝে অনেকটা জায়গা করে,
ধূপছায়ার মৃদুমন্দ আলোকছটায়
ধুম্রজাল সৃষ্টি করেছিল
আমাদের কাব্যের জালে বাঁধার ছলনায়।
বিধাতার বিস্ময়াবৃত ধূপ শীতল ধরণীর
মায়াকান্নার মাঝে,
এক টুকরো গগনে গনগনে চাঁদ
আকাশের মাঝে অনেকটা জায়গা করে,
ধূপছায়ার মৃদুমন্দ আলোকছটায়
ধুম্রজাল সৃষ্টি করেছিল
আমাদের কাব্যের জালে বাঁধার ছলনায়।
এরই মাঝে মেঘ মন্ডলী
চন্দ্রালোকে মুগ্ধ গগনে
চারিদিকে ঘুরপাক খায় অযথাই ।
চন্দ্রালোকে মুগ্ধ গগনে
চারিদিকে ঘুরপাক খায় অযথাই ।
চন্দ্রকলার ছলনায় আবদ্ধ ধরণীর অসহায়
মানবসন্তান, দুর নিঃসীমানায় চায়
সময়ের অজানায়…
অল্প কিছুক্ষন হারানোর বাসনায়।
মানবসন্তান, দুর নিঃসীমানায় চায়
সময়ের অজানায়…
অল্প কিছুক্ষন হারানোর বাসনায়।
এরই মাঝে, তিন চা-চামচ চায়ের ঘ্রাণে
পাগলপ্রায় অসহায়
বন্ধু আমার বারেবার
আকাশ পানে চায়।
পাগলপ্রায় অসহায়
বন্ধু আমার বারেবার
আকাশ পানে চায়।
প্রাত্যহিক চন্দ্রগাগনিক ছলনায়,
বায়ুবাহিত বিমানের ছায়ায়
আর নিশাচর চামচিকার হাওয়ায়,
বুনো বাতাসের হাছনাহেনার ঘ্রাণে
“তিন চা-চামচ চা হবে কি আবার?”
সেই বাসনায়,
বন্ধু আমার আকাশ পানে চায়
অসহায়, ক্ষীণকায়,
অথচ মহিমাময় আপন মনসায় –
তপস্যা করে
আবারিত আকাশের আবাহনে
আবারও চলবে পথে
দুই কাপ চা হবে এই আশায়।
বায়ুবাহিত বিমানের ছায়ায়
আর নিশাচর চামচিকার হাওয়ায়,
বুনো বাতাসের হাছনাহেনার ঘ্রাণে
“তিন চা-চামচ চা হবে কি আবার?”
সেই বাসনায়,
বন্ধু আমার আকাশ পানে চায়
অসহায়, ক্ষীণকায়,
অথচ মহিমাময় আপন মনসায় –
তপস্যা করে
আবারিত আকাশের আবাহনে
আবারও চলবে পথে
দুই কাপ চা হবে এই আশায়।