দ্বিপ্রহর গড়িয়ে হেলে, মেঘ-মাখা আলো,
জীবনের দোরে বসে শ্রান্ত আলাপন,
তুমি শুধালে,
‘এই বাগিচার রূপে কোন মায়া
টানে তোমার দৃষ্টি?’
জীবনের দোরে বসে শ্রান্ত আলাপন,
তুমি শুধালে,
‘এই বাগিচার রূপে কোন মায়া
টানে তোমার দৃষ্টি?’
আমার কন্ঠ শুষ্ক, অনার্দ্র, বলেছিল শুধু,
"মেঘমালা...",
যেন সে সৌন্দর্য কেবল ঈশ্বরেরই গড়ন।
"মেঘমালা...",
যেন সে সৌন্দর্য কেবল ঈশ্বরেরই গড়ন।
অথচ তোমার চোখে,
তোমার সেই প্রাণবন্ত মুগ্ধ দেখার আলোয়
আশ্চর্য! আমিও দেখলাম!
তোমার সেই প্রাণবন্ত মুগ্ধ দেখার আলোয়
আশ্চর্য! আমিও দেখলাম!
দেখলাম মানুষের স্পর্শ, তার সৃষ্টির স্নেহ-ভরা মায়া,
তার স্নিগ্ধ অবদান।
তার স্নিগ্ধ অবদান।
ছোট্ট পাহাড়, যেন শিল্পীর আঁকা – কি মায়াবী গড়ন,
মানুষের হাতে গড়া–বেড়া, স্নেহে ধরে তার কিনার;
ধীর স্রোত বয়ে চলে আনমনে
পুকুরের কলতান, হাঁসেদের উচ্ছল কোলাহল,
মায়াময় আলো ঝরে –
রঙ মেখে দেয়, জল করে ঝলমল,
চারিদিকে কিচিরমিচির, জীবনের স্পন্দন,
দূরে হেরনের ডানা মেলা ধ্যানমগ্ন,
যেন মেঘের সাথে গোপন মিতালি।
মানুষের হাতে গড়া–বেড়া, স্নেহে ধরে তার কিনার;
ধীর স্রোত বয়ে চলে আনমনে
পুকুরের কলতান, হাঁসেদের উচ্ছল কোলাহল,
মায়াময় আলো ঝরে –
রঙ মেখে দেয়, জল করে ঝলমল,
চারিদিকে কিচিরমিচির, জীবনের স্পন্দন,
দূরে হেরনের ডানা মেলা ধ্যানমগ্ন,
যেন মেঘের সাথে গোপন মিতালি।
এই মানুষী বাগান – মানব-প্রকৃতি মেশা,
তার প্রতিদিনের শ্রী, তার স্নিগ্ধ আহ্বান,
সেই মায়া, যা তোমায় টানে আরবার –
এমন নিবিড় টানে, এমন একান্ত মায়ায়
আমায় জড়িয়ে ধরে, বিমুগ্ধ দিশায়;
অশ্রুস্নাত বন্ধুর পথে, জীবনের মায়াহাস্যে।
তার প্রতিদিনের শ্রী, তার স্নিগ্ধ আহ্বান,
সেই মায়া, যা তোমায় টানে আরবার –
এমন নিবিড় টানে, এমন একান্ত মায়ায়
আমায় জড়িয়ে ধরে, বিমুগ্ধ দিশায়;
অশ্রুস্নাত বন্ধুর পথে, জীবনের মায়াহাস্যে।
তোমার তরে আমার
এতটুকুই নিবেদন:
এমনই মুগ্ধ চোখে চিরকাল দেখে যেও
জীবনের জয়গান।
এতটুকুই নিবেদন:
এমনই মুগ্ধ চোখে চিরকাল দেখে যেও
জীবনের জয়গান।