একটা নদী ছিল —
লাল পাথরে শান বাঁধানো ঘাট ছিল তার ।
নদীটা আজব ছিল,
নদীর পানি ছিল স্তিমিত
আর স্বচ্ছ
কেমন যেন একটা সুমধুর স্বাদু পানি তার ।
নদীর উপর দিয়ে কখনো কখনো
আলতো চঞ্চল বাতাস বয়ে যেত,
নদীর পানি ছুঁয়ে ছুঁয়ে ।
লাল পাথরে শান বাঁধানো ঘাট ছিল তার ।
নদীটা আজব ছিল,
নদীর পানি ছিল স্তিমিত
আর স্বচ্ছ
কেমন যেন একটা সুমধুর স্বাদু পানি তার ।
নদীর উপর দিয়ে কখনো কখনো
আলতো চঞ্চল বাতাস বয়ে যেত,
নদীর পানি ছুঁয়ে ছুঁয়ে ।
শান্ত সে নদীর থেকে
রূপালী কিছু মাছ, প্রায়শই
উঁকি দিত ।
আর কখনোবা, নীল আকাশ থেকে
বোঁ বোঁ করে ঘুরতে থাকা চিল
পানির তলে চলতে থাকা মাছ -
ছোঁ মেরে নিয়ে যেত ।
চিল গুলো ছিল কালচে বাদামী,
তাদের চোখগুলো ছিল সুতীক্ষ্ণ,
আর পা দুটো সুচতুর ।
রূপালী কিছু মাছ, প্রায়শই
উঁকি দিত ।
আর কখনোবা, নীল আকাশ থেকে
বোঁ বোঁ করে ঘুরতে থাকা চিল
পানির তলে চলতে থাকা মাছ -
ছোঁ মেরে নিয়ে যেত ।
চিল গুলো ছিল কালচে বাদামী,
তাদের চোখগুলো ছিল সুতীক্ষ্ণ,
আর পা দুটো সুচতুর ।
নদীটা বড়ই আজব ছিল ।
শান বাঁধানো ঘাটটা ঘিরে
কেন যেন অনেকগুলো
লাল পদ্ম ফুটেছিল ।
শান বাঁধানো ঘাটটা ঘিরে
কেন যেন অনেকগুলো
লাল পদ্ম ফুটেছিল ।
তুমি যাবে সে নদীর ঘাটে?
নদীটা আছে তিনকোনা এক অচিন দ্বীপে ।
নদীটা আছে তিনকোনা এক অচিন দ্বীপে ।